আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার উত্তর কুমরপুর মাস্টারপাড়া এলাকায় স্বামীর স্বীকৃতি না পেয়ে দুই স্ত্রী তাদের সন্তানদের নিয়ে অনশন করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকার বাসিন্দা আপেল মাহমুদ (৩০), পিতা আবুল হোসেন ও মাতা আমেনা বেগম। তিনি কুমিল্লায় লেখাপড়ার সময় প্রথম স্ত্রী হোসনা আক্তার (৩০)-এর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০১৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। হোসনা আক্তার কুমিল্লার দেবিদ্দার উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে। তাদের সংসারে আবেদা মুহাম্মদ আলো নামে ৯ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
পরবর্তীতে আপেল মাহমুদ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার টোকাইরকান্দি গ্রামের আলিম উদ্দিনের মেয়ে সারমিন আক্তার (২৮)-কে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে সিফাত নামে ১৬ মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহিত থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালে কুমিল্লার লাকসাম এলাকার জান্নাতি নামের আরও এক নারীকে বিয়ে করেন তিনি।
প্রথম স্ত্রী হোসনা আক্তার অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের পর থেকে তার স্বামী তাদের কোনো খোঁজখবর নিচ্ছেন না। দ্বিতীয় স্ত্রী সারমিন আক্তারও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার উত্তর কুমরপুর মাস্টারপাড়া এলাকায় আপেল মাহমুদের বাড়িতে দুই স্ত্রী তাদের সন্তানদের নিয়ে অনশন করেন।
অনশনরত স্ত্রীদের দাবি, তাদের দাম্পত্য জীবনে জন্ম নেওয়া সন্তানদের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং স্ত্রী হিসেবে তাদের স্বীকৃতি দিয়ে স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে হবে।
বর্তমানে তারা স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করে বৈবাহিক স্বীকৃতি ও ভরণপোষণের দাবিতে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।